Rice University, Texas
এটা হতে পারে আপনার ক্যাম্পাস !
Scholarships
আছে অসংখ্য স্কলারশীপের সুযোগ
GRE/ IELTS ...
আমরা আছি আপনার সাহায্যে

নিজেকে যাচাই করুন

Downloads

ফোরাম

শুরুর আগে

বাংলাদেশ থেকে ইদানিংকালে বিদেশে পড়তে যাবার প্রবণতা অনেক বেড়েছে। আগে যা ছিলো শুধুমাত্র উচ্চবিত্ত আর ব্যতিক্রমী মেধাবীদের মাঝে সীমাবদ্ধ এখন আর তেমন নেই। তীব্র আগ্রহ থাকলে আজকাল যে কেউ উচ্চশিক্ষার জন্য পাড়ি জমাতে পারে ইউরোপ আমেরিকার নানান দেশে। অনেকে আবার দেশের অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে পড়ালেখা শেষে সেখানেই নিজের ক্যারিয়ার গড়ছেন। আবার মুদ্রার ওপিঠেই আছে অনেক ব্যার্থতার কাহিনী, যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অনেক সম্ভাবনাময় শিক্ষার্থী সুধুমাত্র সঠিক দিক নির্দেশনার অভাবে যেতে পারেননি তার পছন্দের দেশের পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ে। তাই আমরা চেস্টা করছি আপনার ভার্চুয়াল গাইড হতে। আপনি কি বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য যেতে আগ্রহী? তাহলে এই ওয়েবসাইট আপনার জন্য। এখানে আপনার জন্য বাইরে পড়ার জন্য কোর্স সিলেক্ট থেকে শুরু করে ভিসা আবেদন পর্যন্ত সবকছুই আছে। কিন্তু ওয়েবসাইট ব্রাউজ শুরুর আগে নিচের উচ্চশিক্ষা মিশনের ৫ ধাপ পার হয়ে নিন!

১ম ধাপ: মেজর সিলেক্ট

আপনি কোন বিষয়ে পড়াশোনা করতে চান তা নির্বাচন করুন। আপনার ক্যারিয়ারের লক্ষ্য ও ব্যক্তিগত ভালোলাগা এই দুই এর সমন্বয়ে আপনার সাবজেক্ট পছন্দ করুন। প্রয়োজনে আপনার ব্যাকগ্রাউন্ডের সিনিয়রদের পরামর্শ নিন। মেজর সিলেক্ট হয়ে গেলে আপনি পরবর্তী ধাপ তথা কলেজ/ইউনিভার্সিটি সিলেক্ট করতে পারবেন। এক্ষেত্রে যে প্রতিষ্ঠান আপনার পছন্দের মেজর পড়ায় না তা তালিকা থেকে বাদ পড়বে।

২য় ধাপ: পছন্দ

কলেজ/ইউনিভার্সিটি সিলেক্ট করার আগে আপনার ব্যক্তিগত পছন্দ/অপছন্দ বিবেচনা করাটাও জরূরী। অনেকের বিশেষ কোন দেশ সম্পর্কে fascination থাকে, আবার অনেকের  বিশেষ কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাপারে আগ্রহ থাকে। তাই আগে নিজে নিজে এই প্রশ্নগুলোর জবাব খুজুনঃ

  • আমি কি কোন বিশেষ দেশ/শহর/বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাপারে আগ্রহী?
  • আমার আর্থিক সামর্থ্য ও একাডেমিক রেজাল্ট আমাকে কতটা flexibility দিবে?
  • IELTS/TOEFL ইত্যাদি face করার জন্য আমি কতটা প্রস্তুত?

মনে রাখবেন এই প্রশ্নগুলোর জবাব আপনার ভবিষ্যত প্রতিষ্ঠান নির্বাচনে বড় ভূমিকা রাখবে।

৩য় ধাপ: প্রতিষ্ঠান

প্রথম দুই ধাপ যদি আপনি পার হয়ে আসেন তাহলে আপনার কলেজ/ইউনিভার্সিটি সিলেক্ট করার পরিধি অনেকটাই ছোট হয়ে এসেছে। কোন প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে জানতে ইন্টারনেট খুবই চমৎকার একটি মাধ্যম। সমস্যা যেটা হয় তা হল ইন্টারনেটে ডেটার সমুদ্র থেকে নিজের প্রয়োজন মত তথ্যটি খুঁজে বের করাটা। তাই আপনাকে সাহায্য করতে আমারা এই ওয়েবসাইটটিকে এমনভাবে সাজিয়েছি যেন আপনি স্বল্পতম সময়ে আপনার দরকারি তথ্যটি পেয়ে যান। আমাদের countrywise সেকশনে বিভিন্ন দেশের কলেজ/ইউনিভার্সিটির তথ্য পাবেন।

৪র্থ ধাপ: যোগ্যতা

সম্ভবতঃ আপনি পছন্দের কয়েকটি প্রতিষ্ঠান সিলেক্ট করে ফেলেছেন। এখন দেখতে হবে এদের চাহিদা (Requirements) গুলো কি কি এবং সে অনুযায়ী নিজেকে প্রস্তুত করে অ্যাপ্লিকেশন শুরু করতে হবে। যা যা দেখতে হবে তার মাঝে অন্যতমঃ

  • IELTS/GRE/TOEFL ইত্যাদি কোন স্কোর চায় এবং কত লাগবে?
  • প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কি কি লাগবে?
  • অ্যাপ্লিকেশন ফী
  • কখন সেমিস্টার শুরু হয় এবং আবেদনের সময়সীমা
  • স্কলারশীপের সুযোগ আছে কি না ইত্যাদি

৫ম ধাপ: আবেদন

সর্বশেষ ধাপ হল পছন্দের প্রতিষ্ঠানে ভর্তির আবেদন পাঠানো। নিঃসন্দেহে ভর্তির আবেদন কাজটি খুবই গুরূত্বপূর্ণ এবং তা সতর্কতার দাবী রাখে। যদিও কাজটি খুব কঠিন কিছু নয়। নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিয়ম মেনে, সঠিক সময়সীমার মাঝে, চাহীদামাফিক ডকুমেন্ট গুলো সংযুক্ত করলে আবেদন গৃহীত হবার সম্ভবনা বেড়ে যায়। উত্তম হল ডেডলাইন শেষ হবার ৪/৫ মাস আগেই এপ্লাই করা, এতে আপনার আবেদনটি সঠিকভাবে প্রসেস হবে এবং আপনি অন্যান্য requirement গুলো fulfill করার পর্যাপ্ত সময় পাবেন।

মনে রাখবেন, আবেদন পদ্ধতি নিয়ে কোন confusion থাকলে আপনি অবশ্যই ঐ প্রতিষ্ঠানের  ‘Enrollment service’ এ ইমেইল করে তা দূর করে নিবেন।